স্টাফ রিপোর্টার এহসানুল হক : নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হাইওয়ে পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে আশুগঞ্জ গোল চক্কর থেকে যাত্রী বহন করে বড় গাড়ির সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, মিশুক, ভ্যান, লেগুনার মতো ছোট যানবাহন ৷এতে করে একদিকে যেমন আইনের ব্যত্যয় ঘটাচ্ছে তেমনটি সড়কটিতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। এতে যানজটের পাশাপাশি প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে । সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে চলাচল করছে অসংখ্য দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন। এর মধ্যেই পাল্লা দিয়ে চলছে অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, মিশুক, ভ্যানগাড়িসহ প্যাডেলচালিত রিকশা। এসব যানবাহন একে অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে কখনো মাঝ সড়ক দিয়ে চলছে। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে কোনোটি আবার উল্টো পথে ছুটছে। মাঝেমধ্যেই দেখা দিচ্ছে যানজট। এই বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কোথাও পুলিশের ভূমিকা চোখে পড়েনি।
হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার কারণে মহাসড়কে এসব যান চলাচল করছে বলে অভিযোগ করেছেন দূরপাল্লার বাসের চালকেরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক বলেন, মহাসড়কে তিন চাকার অবৈধ যানবাহনের কোনো অনুমতি নেই আমি জানি। কিন্তু জীবিকার তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়কে যাই। এ ছাড়া আমরা অনেকটা হাইওয়ে পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করে চলে নিষিদ্ধ গাড়ি চালাই। তা না হলে কি মহাসড়কে গাড়ি চালানো যায় ২০১৫ সাল থেকে দেশের ২২টি মহাসড়কে থ্রি হুইলার (তিন চাকার যান) চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। এরপর, ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সব প্রধান মহাসড়কে এ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়ে সেই নির্দেশকে আরও জোরদার করেন হাইকোর্ট।এর মধ্যে ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক অন্যতম।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নেওয়ার জন্য খাটিখাঁতা অফিসার ইনচার্জ মোটো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদক বলেন থানায় আসেন। সরেজমিনে থানায় গেলে এসআই বলেন ডি আইজি স্যার আসবে, ওসি স্যার বাহিরে চলে গেছেন।