মো. আজহার উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৪৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের পৃথক তিনটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শহরের তিতাসপাড়ার বড় মসজিদের পেছনে বালুর মাঠসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আমীর হামজা (১৯) নামে এক যুবককে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মো. জাকির হোসেনের ছেলে।
একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে এসআই মো. মনির হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল সদর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পৈরতলা ছয়ঘরিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সৈয়দ মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সদর উপজেলার সুহিলপুর মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত এতিম মিয়া।
এদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুই নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির আভিযানিক দল সদর পৌরসভার ভাদুঘর নাসিরপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসআই নির্মলেন্দু ভৌমিকের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে উজ্জ্বল শর্মা (২২) ও সুমন (৩২) নামে দুজনকে ১০৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উজ্জ্বল শর্মা ভাদুঘর ঠাকুরপাড়া এলাকার ননী গোপাল শর্মার ছেলে। সুমন ভাদুঘর উত্তরপাড়া নাসিরপুর এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দতালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় এফআইআর নম্বর ২৬, ২৭ ও ২৮-এর মাধ্যমে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় রুজু করা হয়েছে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম জানান, মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে বাংলাদেশ পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে এবং পাশাপাশি ‘মাদক, ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাংবিরোধী পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।