আজ গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু

সারাদেশ, 6 September 2021, 422 বার পড়া হয়েছে,

নিজস্ব প্রতিবেদক : গণটিকা কার্যক্রমের দ্বিতীয় ডোজ আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় ২য় ডোজ প্রদানের লক্ষ্যে একটি ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ থেকে দেশব্যাপী কোভিড-১৯’র ২য় ডোজ গণটিকা দান কর্মসূচী শুরু হচ্ছে। সব সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আগস্টের ৭ ও ৮ তারিখে যারা ১ম ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন তারা একই কেন্দ্রে ৭ সেপ্টেম্বর ২য় ডোজ গ্রহণ করবেন।

অনুরূপভাবে, যারা আগস্ট ৯ ও ১০ তারিখে টিকা গ্রহণ করেছিলেন তারা ৮ সেপ্টেম্বর এবং যারা ১১ ও ১২ আগস্ট তারা ৯ সেপ্টেম্বর একই কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করবেন।

সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকায় ৭ আগস্ট যারা যে কেন্দ্রে প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছিলেন, প্রত্যেকেই একই কেন্দ্রে ৭ সেপ্টেম্বর তারিখে দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করবেন।

ভিডিও কনফারেন্সে সব সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব পুলিশ কমিশনার, সব রেঞ্জ ডিআইজি, সব জেলা প্রশাসক, সব সিভিল সার্জনসহ মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তারা সংযুক্ত ছিলেন।

১২ বছরের বেশি বয়সীদের করোনাভাইরাসের টিকা দিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডবিøউএইচও) অনুমোদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘টিকা দেয়ার কার্যক্রম এ মাস থেকে আরও বেগবান হবে। এ মাসে আড়াই কোটি টিকা পাওয়া যাবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১২ বছরের বেশি বয়সী যারা আছেন তাদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে ডবিøউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে। কোন দেশেই এর অনুমোদন দেয়া হয়নি। যেসব দেশ দিচ্ছে তারা নিজেদের মতো করেই দিচ্ছে। এ ব্যাপারে টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদনেরও প্রয়োজন আছে।

জাহিদ মালেক জানান, এ মাসে যে আড়াই কোটি টিকা আসবে। এর মধ্যে দুই কোটি আসবে সিনোফার্মের, বাকিটা ফাইজারের। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১৭ হাজার বেড ছিল, এখন সেখানে সারাদেশে ১২ থেকে ১৪ হাজার বেড খালি। ঢাকায় ৭৫ ভাগ খালি আছে। করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় এগুলো খালি হয়েছে। এগুলো ক্যান্সারসহ সাধারণ রোগীদের জন্য দেয়া হবে।