আপাদমস্তক একজন মানবিক মানুষ সিলামের বাহার আহমেদ

সোসাল মিডিয়া, 28 December 2025, 328 বার পড়া হয়েছে,

নিজস্ব প্রতিবেদক|দক্ষিণ সুরমা, সিলেট : মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়। এই প্রবাদটির বাস্তব প্রতিফলন ঘটিয়ে চলেছেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলামের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও দানবীর বাহার আহমেদ (সবার প্রিয় বাহার মামা)। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের ব্যস্ততা ছাপিয়ে নাড়ির টানে দেশে ফিরে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন আর্তমানবতার সেবায়।

​বাহার আহমেদ জীবনের দীর্ঘ একটি সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অতিবাহিত করেছেন। সেখানে থাকাকালীনও তিনি প্রবাসীদের বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে জনহিতকর কাজ করেছেন। তবে বিদেশের বিলাসিতা তাকে আটকে রাখতে পারেনি; দেশের মাটির টানে তিনি ফিরে এসেছেন এবং বর্তমানে সিলাম এলাকার সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।

​বাহার আহমেদ কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং এলাকার অসহায় মানুষের আস্থার এক ঠিকানায় পরিণত হয়েছেন।

নিজ গ্রামের রাস্তাঘাট সংস্কার ও উন্নয়নে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এবং সাংগঠনিকভাবে বিশেষ অবদান রাখছেন। এলাকার মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলোর উন্নয়নে এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে তিনি সর্বদা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

তথ্যমতে, এ পর্যন্ত অন্তত ছয়জন অসহায় পিতাকে তাদের কন্যাসন্তানের বিবাহ সম্পন্ন করতে বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা দিয়ে দায়মুক্ত করেছেন তিনি। এলাকার গরিব-দুঃখী ও নিম্নবিত্ত মানুষের যেকোনো বিপদে বাহার আহমেদকে পাশে পাওয়া যায়।

​বাহার আহমেদের এই মহৎ পথচলায় তার সহধর্মিণী এক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছেন। এলাকার সাধারণ ও দরিদ্র নারীদের মধ্যে তার দানশীলতা এবং অমায়িক ব্যবহারের কথা মুখে মুখে প্রচলিত। স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মিলে সিলামের আর্তসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

​সিলামের সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে, বাহার আহমেদের মতো মানুষেরা সমাজে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন বলেই অসহায় মানুষগুলো বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। এলাকাবাসী আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন যেন তাকে সুস্থ ও দীর্ঘ নেক হায়াত দান করা হয়, যাতে তিনি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে সমাজের সেবা করতে পারেন।

​”আসুন আমরা বাহার আহমেদের মতো যার যার অবস্থান থেকে সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসি। সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে এমন মানবিক মানুষের প্রয়োজন অপরিসীম।”