বারবার গ্রেপ্তার, তবুও বহাল তবিয়তে মাদক ডিলার মহসিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, 11 October 2026, 3 বার পড়া হয়েছে,

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদকের ভয়াল গ্রাসে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুবসমাজ। হাত বাড়ালেই মিলছে মরোণেত্তারক মাদক। এর ফলে ধংস হচ্ছে একেকটি পরিবার, বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধপ্রবণতা। এর মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানের মুখেও কিছু প্রভাবশালী মাদক কারবারির বেপরোয়া কার্যকলাপে অতিষ্ঠ স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তেমনি একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি হিসেবে নাম উঠে এসেছে আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুরের চর লালপুর (কান্দিপাড়া) সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকার উবায়দুল হকের ছেলে মো. মহসিন মিয়ার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত মাদক ডিলার মো. মহসিন মিয়াকে এর আগেও বহুবার বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলহাজতে থাকার পর জামিনে বা ছাড়া পেয়ে সে পুনরায় দিব্যি এলাকায় ফিরে আসে এবং আগের মতো পুরোদমে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যায়।

স্যোশাল মিডিয়ায় এলাকাবাসীর প্রশ্ন—বারবার যদি একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে কি কেবল গ্রেপ্তার আর কারাগারে পাঠানোই মাদক নির্মূলের শেষ কথা? মাদক ব্যবসার এই দুষ্টচক্র ও স্থায়ী প্রতিরোধ কোথায়?

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, আর কত যুবকের তাজা প্রাণ ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে? আর কতটি পরিবার মাদকের ছোবলে ছারখার হলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের এমন নিরাপদ আশ্রয়ের কারণে এলাকার তরুণ প্রজন্ম আজ মৃত্যুর মুখে পতিত হচ্ছে।

জনসাধারণের পক্ষ থেকে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এখন একটাই সরাসরি প্রশ্ন—লালপুরকে পুরোপুরি মাদকমুক্ত করতে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ কবে নেওয়া হবে? নামমাত্র লোকদেখানো অভিযান বা দায়সাড়া ব্যবস্থা সাধারণ মানুষ আর দেখতে চায় না।

এখন সময় এসেছে নীরবতা ভেঙে কঠোর হওয়ার। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে লালপুরের মাটি থেকে এই অপশক্তির স্থায়ী মূলোৎপাটন করা হোক—এটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবি।