মো. আজহার উদ্দিন : অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত হয়নি বলে ১০ দিন অপেক্ষার পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে অ/জ্ঞাত বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
গত শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের দড়িবেলানগর গ্রামের তিতাস নদীর পূর্ব তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তার আনুমানিক বয়স ৫০।
নৌ-পুলিশ সূত্র জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকালে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে নবীনগর সলিমগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরিচয় শনাক্তের লক্ষ্যে বিষয়টি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিটকে জানানো হয়। পরে পিবিআইয়ের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের চেষ্টা করলেও হাতের আঙুলের চামড়া খসে যাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত হয়নি বলে ১০ দিন অপেক্ষার পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে Brahmanbaria Batighar – ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে অজ্ঞাত বেওয়ারিশ লাশের দাফন কাজ সম্পন্ন করেছি।
অ//জ্ঞাত ব্যক্তির “মরদেহটি পঁচে যাওয়ায় পিবিআই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি। এ কারণে এখন পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় বা ঠিকানা জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডাইরিসহ অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে। পরিচয় শনাক্তে জেলা পুলিশ, পিবিআই নৌ-পুলিশ এবং ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর’-এর সহযোগিতায় প্রচার-প্রচারণাসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারের কাজ চালিয়ে পরিচয় শনাক্ত হয়নি।