বছরের শেষ দিনে প্রচার হবে ‘ইত্যাদি

বিনোদন, 31 December 2021, 291 বার পড়া হয়েছে,
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নন্দিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। এটির রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন হানিফ সংকেত। সাড়াজাগানো অনুষ্ঠানটি ৩৩ পেরিয়ে ৩৪ বছরে পা রাখবে। এ উপলক্ষে এবার অনুষ্ঠান ধারণ করা হয়েছে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা-বাগানের ভেতরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ডাকবাংলোর সামনে। বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর শুক্রবারে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর পর্বটি প্রচার করা হবে।

ফাগুন অডিও ভিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঐতিহাসিক বাংলোর সামনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিতসংখ্যক দর্শক নিয়ে সম্প্রতি ধারণ করা হয় এবারের ইত্যাদি। গোটা আয়োজনে থাকবে নানা চমক, বিভিন্ন আয়োজন। থাকবে গান, নাচ, নাটিকা ও অন্যান্য নিয়মিত আয়োজন। অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের লেখা ও ইবরার টিপুর সুরে একটি দেশাত্মবোধক গানে দ্বৈতকণ্ঠে গেয়েছেন সামিনা চৌধুরী ও ফাহমিদা নবী। হবিগঞ্জের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের পরিচিতিমূলক অন্য গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছে স্থানীয় শতাধিক নৃত্যশিল্পী। গানটির কথা লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, সংগীতায়োজন করেছেন নাভেদ পারভেজ, কণ্ঠ দিয়েছেন রিয়াদ ও তানজিনা রুমা। নৃত্য পরিচালনা করেছেন মনিরুল ইসলাম মুকুল।

এবারের পর্বে হবিগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলো নিয়ে রয়েছে তিনটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। গল্পের আরব্য উপন্যাসের আলাদীনের চেরাগ বাস্তবে খুঁজে পাওয়া না গেলেও এবারের অনুষ্ঠানে ফরিদুল আলম নামে একজন প্রযুক্তিপ্রেমী ব্যবসায়ীকে দেখানো হবে, মানুষকে সেবা দিয়ে যিনি হয়ে উঠেছেন প্রযুক্তি যুগের আলাদীনের চেরাগ।

ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের সাড়ে সাত বছরের বিস্ময় বালক সামিউন আলিম সাদের ওপর থাকছে একটি শিক্ষামূলক প্রতিবেদন। যে শিশুটি মোবাইলের অপব্যবহার নয় বরং এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বিস্ময়কর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছে।

গত ২৯ অক্টোবর প্রচারিত ‘ইত্যাদি’তে সোনারগাঁয়ের আত্মপ্রত্যয়ী যুবক শাহেদ কায়েসকে তার ‘বেদে বহর ভাসমান পাঠশালা’র ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি মেরামতের জন্য এক লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছিলো। এবারের পর্বে সেই ভাসমান পাঠশালার ওপর রয়েছে একটি ফলোআপ প্রতিবেদন।

দর্শক পর্বের নিয়ম অনুযায়ী ধারণস্থান হবিগঞ্জকে নিয়ে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মাঝখান থেকে ৪ জন দর্শক নির্বাচন করা হয়। ২য় পর্ব সাজানো হয়েছে হবিগঞ্জের চারজন বিখ্যাত কবি ও সাধকের কিছু কালজয়ী গান নিয়ে। নির্বাচিত দর্শকদের সাথে এই পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সেলিম চৌধুরী এবং এই প্রজন্মের শিল্পী আশিক চৌধুরী।

নিয়মিত পর্বসহ এবারও রয়েছে বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু সরস অথচ তীক্ষ্ণ নাট্যাংশ। এতে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন: সোলায়মান খোকা, আফজাল শরীফ, জিল্লুর রহমান, কামাল বায়েজিদ, শবনম পারভীন, আমিন আজাদ, নিপু, আবু হেনা রনি, আনন্দ খালেদ, জামিল হোসেন, বিলু বড়ুয়া, রতন খান, তারিক স্বপন, নজরুল ইসলাম, আনোয়ার শাহী, আনোয়ারুল আলম সজল, সাজ্জাদ সাজু, সাবরিনা নিসা, সুবর্ণা মজুমদার, শামীম, জাহিদ শিকদার, মতিউর রহমান, মনজুর আলম, হাশিম মাসুদ, তানিয়া, সিলভিয়া, বেলাল আহমেদ মুরাদসহ অনেকে।