আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে প্রথম সারির প্রতিরক্ষা বাহিনীর দায়িত্ব পালন করবেন – অতিরিক্ত মহাপরিচালক 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, 4 February 2026, 70 বার পড়া হয়েছে,
মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রথম সারির প্রতিরক্ষা বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি)। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনুর রশিদ বলেন, ভোটারদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মুহাম্মদ স্টেডিয়াম মাঠে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যান্য সহায়ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে। প্রতিটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
 
অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরও জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেড় বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচন করা হয়েছে। একটি আধুনিক অ্যাপসের মাধ্যমে ১৩ জনের সমন্বয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে টিম গঠন করা হয়েছে। এ সমাবেশকে তিনি প্রস্তুতির চূড়ান্ত মূল্যায়নের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।
 
তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে তিনজনের কাছে থাকবে অস্ত্র। পাশাপাশি এবারই প্রথমবারের মতো প্রিজাইডিং অফিসারের কাছেও অস্ত্র প্রদান করা হচ্ছে, যাতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আরও জোরদার হয়।
 
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কুমিল্লা রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার (পরিচালনা) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমান্ড্যান্ট মো. মনিরুজ্জামান।
 
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিপুল সংখ্যক আনসার ও ভিডিপি সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ এবং নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সদস্যদের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
 
সমাবেশ শেষে সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও প্রস্তুতি যাচাইয়ের লক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত কুচকাওয়াজ ও ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।