ফেসবুকে নবীনগরের আ.লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের “নো বোট নো ভোট” প্রচারণা

রাজনীতি, 11 January 2026, 106 বার পড়া হয়েছে,
মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফেসবুকে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়ে, “নো বোট, নো ভোট” প্রচারণা চালাচ্ছে। কেউ লিখেছে নৌকা ছাড়া ভোট নাই আবার কেউ লিখছে শেখ হাসিনা ছাড়া ভোট নাই। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের ফেসুবক পোস্ট ফিড থেকে শুরু করে স্টোরি, রিল ভিডিওতে ভাসছে নির্বাচন বর্জনর ডাক।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের ফেসবুক পোস্টে লিখেন, “এই দুঃসময়ে আমরা প্রিয় নেত্রীর নির্দেশনা মেনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করব। এটাই হউক মুখ্য বিষয়।”
তার ফেসবুক পোস্টে এমডি মোয়াজ্জেম লিখেন, “সঠিক বলছেন আমরা নেত্রীর নির্দেশে চলবো “
মাহিদুর রহমান জয় লিখেন, “নৌকা ছাড়া কোনো ভোট নই/নাই।”
উপজেলা আওয়ামী যুব লীগের সভাপতি শামস আলম উনার ফেসবুক আইডিতে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা, লাউড এন্ড ক্লিলার, শেখ হাসিনা ছাড়া নির্বাচন হবে না, না মানে না এবং নো বোট নো ভোট, জয় বাংলা লেখা দুটি ফটো কার্ড পোস্ট করেন।
তার পোস্টে হোসাইন মোহাম্মদ এমরান নামে একজন কমেন্ট করেন, “ দেশের ৬০% মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার প্রহসনের নির্বাচন বাংলাদেশ মানবে না। নো বোট নো ভোট।
ফাহিম হোসাইন লিখেন, “সারা বাংলা বেঁধেছে জোট নৌকা ছাড়া কিসের ভোট।”
উপজেলা আওয়ামী যুব লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মারুফ রহমান উনার ফেসবুক স্টোরিতে, “নৌকা ছাড়া ভোট নাই” লেখা ফটো কার্ড শেয়ার করেন।
উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা নাজিম উদ্দিন তার পোস্টে লিখেন, “ সারা বাংলা হয়েছে জোট নৌকা ছাড়া কিসের ভোট।”
তার পোস্টের কমেন্টে শেখ মোশারফ, আকাশ মিয়া, মামুন রশিদ, ইব্রাহিম খানসহ কমেন্টদারি প্রত্যেকে “জয় বাংলা” লিখে সমর্থণ জানান।
জিনদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী মোঃ আব্দুস সালাম উনার ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করে সেখানে তিনি লিখেন, “স্যালুট বোন, সাহসী কন্ঠস্বর। নৌকা নাই তাই ভোট কেন্দ্রেও যাবে না।”
তার পোস্টে এমডি মহিন উদ্দিন হাওলাদার কমেন্টে লিখেন, “ আওয়ামী লীগ রেখে নির্বাচন আমরা ত কেন্দ্রেই যাবো না জয় সাব্বাশ বোন, স্যালুট।”
সেলিনা বেগম লিখেন, “ সঠিক বলেছেন।”
এমডি মহসিন লিখেন, “এদেরকে এভাবে উচিত জবাব দেওয়া দরকার।” এছাড়া অসংখ্য কমেন্টে “জয় বাংলা” লিখে স্থানিয় নেতাকর্মীরা তাদের এসব ফেসবুক পোস্ট কপি-পোস্ট করতেও দেখা গেছে।