ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী আর্ট প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, 3 March 2022, 161 বার পড়া হয়েছে,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু কিশোর সংগঠন “শিশু নাট্যম” এর উদ্যোগে “প্রকৃতির সান্নিধ্যে শিশুরা’ শ্লোগানকে সামনে রেখে তিনিব্যাপী আর্ট ক্যাম্প শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে পৌর এলাকার গোকর্ণঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনদিনব্যাপী আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন জেলা বিএমএর সভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডা. আবু সাঈদ।

গোকর্ণঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পরিমল ভৌমিকের সভাপতিত্বে ও শিশু নাট্যমের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মোহাম্মদ খান বিটুর সঞ্চালানায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গোকর্ণঘাট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. ফেরদৌস মিয়া, সাংবাদিক জালাল উদ্দিন রুমি, শিশু নাট্যমের প্রশিক্ষক বাবুল মিয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক ও প্রশিক্ষক দীপ্ত মোদক।

বক্তব্য রাখেন পাপিয়া আক্তার, সাবরিনা জেবিন সেজুঁতি, প্রণয় সাহা, প্রবাল বনিক, আকিব আহমেদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. আবু সাঈদ বলেন, করোনাকালীন সময়ে শিশুদের মানসিক পরিবর্তন করার জন্য শিশু নাট্যমের এই উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের মানসিক পরিবর্তনে প্রকৃতির সান্নিধ্য শিশুদের নিয়ে যে আয়োজন করা হয়েছে এতে শিশুরি একদিকে যেমন বিষয়টি উপভোগ করছে, অন্যদিকে তাদের সুপ্ত প্রতিভারও বিকাশ হবে।

তিনদিনব্যাপী এই ক্যাম্প চলবে শনিবার পর্যন্ত। ক্যাম্পে আঁকা ছবি বাছাই করে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
আর্ট ক্যাম্পে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ত্রিদিবা, জয়া, ফারাবি, রাখি জানায়, চোখের সামনে থাকা দৃশ্য দেখে আঁকতে পেরে খুব ভালো লাগছে। সকালে উদ্বোধনের পরই তাদেরকে ছবি আঁকতে দেয়া হয়।
অভিভাবক হামজা ইসলাম হেনা, অনিন্দিতা দেব ও শিপ্রা রানী রায় জানায়, প্রকৃতির কাছাকাছি এসে এমন অনুষ্ঠান সত্যিই অনেক প্রশংসনীয় ও ব্যতিক্রম। এ থেকে শিশুরা অনেক কিছু শিখতে ও জানতে পারবে। পাঠ্য বইয়ের বাইরে যে আরো অনেক কিছু শেখা ও জানা যায় তা তারা এখান থেকে জানতে পারবে।

শিশু নাট্যমের সম্পাদক নিয়াজ মোহাম্মদ খান বিটু বলেন, শিশু নাট্যম প্রতি বছরই শিশুদের নিয়ে তিন দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে। যাতে করে শিশুরা তাদের মাঝে প্রকৃতিকে খুঁজে পায়, প্রকৃতির সাথে তাদের একটা যোগাযোগ স্থাপিত হয়। আমরা প্রতি বছর শিশুদের গ্রামের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই, এটি আমাদের প্রধান কাজ। যাতে শিশুরা মানসিকভাবে গ্রামের সাথে তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠে। -(সরোদ)