নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ওবিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে কালি লেপনের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান ও কবিতার মাধ্যমে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সোনালী সকাল’-এর উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে এ প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়। আধঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই কর্মসূচিতে স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
’সোনালী সকাল’-এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মুনতাসীরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে সংহতি জানান— অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আহ্বায়ক আবদুন নূর, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মানবর্ধন পাল, সহ-সভাপতি ডা. অরুণাভ পোদ্দার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাসুদুর রহমান, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি জহিরুল ইসলাম চৌধুরী স্বপন, এবং সংগঠক আহমেদ হোসেন। জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত, মহিলা পরিষদের সভাপতি সাথী চৌধুরী, তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার, তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক সুজন সরকার, সংগঠক আনিসুর রহমান, সোনালী সকালের সাধারণ সম্পাদক রুপম রূপ এবং ‘কবির কলম’-এর সভাপতি কবি তিতাস হুমায়ুন।
ছাত্রমৈত্রীর সংগঠক জুবায়েদ আহমেদ, গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক শাহজাহান সোহেল, অক্ষর আলাপন পাঠচক্রের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক ওমর ফারুক এবং চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সংগঠক ইমাম হোসেন রাফি।
কর্মসূচিতে উপস্থিত সংস্কৃতিকর্মীরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর গান ও কবিতা পরিবেশন করে প্রতিবাদের ভাষা ফুটিয়ে তোলেন। এতে আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করেন ফাহিমা সুলতানা, মোজাম্মেল আহমেদ, বশির আহমেদ, ফাইয়াজ ফারসিদ মুবিন, মীম আক্তার, মার্জিয়া আক্তার ও তাউসিদ আলম তাজিম।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্বকবির ছবিতে কালি লেপন কেবল একটি ছবিতে আঘাত নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতি ও চেতনার ওপর আঘাত। এ ধরনের সংস্কৃিতবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।