শাহাদাত হোসেন সোহেল,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ছিনতাই হওয়া একটি সিএনজি উদ্ধার করেছে পাশাপাশি তথ্য প্রমানের রেশ ধরে এই ঘটনায় বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে সিএনজিটি ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত এই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া আসামীরা হলেন, মোঃ আব্দুল্লাহ প্রকাশ সাহস মিয়া, পায়েল পাঠান,ইয়াছিন ও সাদ্দাম হোসেন। পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল রাত আনুমানিক ০৩ঃ০০ ঘটিকার সময় জেলার সদর থানার সুলতানপুর-কাউতলী হাইওয়ে সড়কের ভাদুঘর-রামরাইল ব্রীজের পশ্চিম পাশ থেকে বাদী মোঃ আব্দুল হাকিম এর একটি সিএনজি অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারীরা ড্রাইভারকে মারধর করে এবং হাত পা বেধে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে ছিনতাই করে নিয়ে যায়। পরে এই সিএনজি ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় বাদী কর্তৃক একটি অভিযোগ দাখিল করা হলে এর প্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ছিনতাই হওয়া সিএনজি উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করে। এর পেক্ষিতে পুলিশ গত (২১ মে) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভাদুঘর এলাকা হতে সন্দেহভাজন আসামি মোঃ আব্দুল্লাহ ওরফে সাহস মিয়াকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে পুলিশ তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে পায়েল পাঠান, ইয়াছিন ও সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ আরও জানায়,গ্রেফতারকৃত চক্রটি সংঘবদ্ধভাবে সিএনজিটি ছিনতাই করে এবং তা পরে বিক্রি করে দেয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শহরের পীরবাড়ী এলাকা থেকে ছিনতাইকৃত সিএনজিটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া আব্দুল্লাহ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে। এ ব্যপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সহিদুল ইসলাম জানান, সিএনজি ছিনতাই ও এর সাথে জড়িত চোরাই চক্রদের গ্রেফতারের ঘটনায় সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থার অংশ হিসেবে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।