বিজয়নগরে সুদের টাকার জন্য দম্পতিকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, 6 May 2022, 254 বার পড়া হয়েছে,

জুয়েল oral oxymetholone for sale মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে সুদের টাকার জন্য এক বৃদ্ধকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন হাসনা বেগম নামে এক সুদখোর ও তার লোকজন। ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর একটার সময় বিজয়নগর উপজেলার মেরাসানী এলাকার কাশিমপুর গ্রামে ঘটেছে। আহতরা হলেন একই এলাকার মৃত রমিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান এবং তার স্ত্রী যোদেজা বেগম। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।এই ঘটনায় বিজয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহত বৃদ্ধের মেয়ের জামাই ইয়াছিন আরাফাত আশিক।
আহত আব্দুর রহমানের স্ত্রী যোদেজা বেগম বলেন, ‘কাশিমপুর গ্রামের মৃত আজহারুল প্রকাশ্যে শুকুর আলীর স্ত্রী হাসনা বেগমের কাছ থেকে আমার স্বামী গত চার বছর আগে চড়া সুদে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিল। ২০হাজার টাকার সুদ গত চার বছরে ২৪ হাজার টাকা দেন আমার স্বামী।আসল ২০ হাজার টাকা থেকে কিছুদিন আগে ৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়। বাঁকি ১৫ হাজার টাকা এক সপ্তাহ পরে পরিশোধ করবো বলেছি।কিন্তু তারা আমাদের কথা মানছেনা। এই মুহূর্তে টাকা ফেরত না দিলে আমাদের ভ্যান গাড়ি এবং ধানের মেশিন নিয়ে যাবে বলে।

হাসনা বেগম তার তিন ছেলে মোঃ মান্না, মোঃ আল আমিন, মোঃ মাসুম এবং আল আমিনের ছেলে মোঃ রাহিম সহ আরও ২/৩ জনকে সাথে নিয়ে তাদের বসত বাড়ির সামনে আমার স্বামী সহ আমাকে আটক করে লোহার পাইপ দিয়ে প্রচন্ড মারধর করে। এসময় আমার স্বামী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যায়। আমাকেও পিটিয়ে নিচে ফেলে দেয় তারা।

এবিষয়ে অভিযোগকারী ইয়াছিন আরাফাত আশিক বলেন, ‘আহতরা আমার শ্বশুড় এবং শ্বাশুড়ী হয়। হামলাকারীরা মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা আছে। আমার শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি ভ্যানগাড়ি যোগে ০১ টি ধান ভাঙ্গার মেশিন নিয়ে বের হলে হামলাকারীরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাদের পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখে। লোহার রড দিয়ে আমার শ্বশুরের মাথায় আঘাত করা হয়েছে। আমার শ্বশুরের মাথায় চারটি সেলাই করা লাগছে। মাথা থেকে প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হওয়ায় এখন তার অবস্থা আশংকাজনক। খবর পেয়ে আশেপাশের লোকজন চলে আসলে তাদেরকে প্রানে হত্যার হুমকী দিয়ে জোরপূর্বক ভ্যান সহ ধান ভাঙ্গানোর মেশিন যাহার দুটির সর্বমোট মূল্য অনুমান -৬০,০০০ / টাকা নিয়ে যায়।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ মির্জা মোহাম্মদ হাছান বলেন, ‘অভিযোগের প্রাথমিকভাবে তদন্তের জন্য এসআই শরীফকে দায়িত্ব দিয়েছি। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’